কবিতা গুচ্ছ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা গুচ্ছ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আমার শপথ

আমার শপথ


আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ভাই 
একটা কথা বলে যাই৷ 
অনুমতি বিহীন কারো গাছের ফুল-ফল স্পর্শ করবো না 
কারো সাথে প্রতারণা করবো না৷ 
অন্যের ধন-সম্পদের প্রতি লোভ 

অনুমতি বিহীন কারো ফিসারি বা কুকুরে ডুব দিব না 
উপকার না করতে পারি অপকার করবো না 
অন্যায় পথে চলবো না৷ 
সত্য বলে ঠকবো তবুও মিথ্যে বলবো না 
অন্যের প্রতিভায় হিংস্বার আগুনে জ্বলবো না৷ 
অসত্‍ বন্ধুদের ত্যাগ করে 
সারাদিন বসে থাকবো ঘরে৷ 
যদি শান্তি না পাই মনে 
যাবো কোথাও গোপনে৷ 
নির্জনে একাকী বসে সময় করবো পার 
অভ্যাস গড়ে নিব নিরব থাকার৷ 
কাজে মনোযোগী হব 
সকলের সাথে মিলে মিশে রবো৷ 
তবে পাপ ঘৃনা করে চলবো 
পাপী ঘৃনা না করে 
ভালবাসা বিলিয়ে দিব সবার তরে৷ 
জানি এক দিন যাবো মরে 
সুন্দর পৃথিবীর মায়া ছেড়ে৷ 
তাহলে কেন করবো পাপ 
কেন বাড়াবো শত্রুর দল 
শত্রুর মুখের অবিশাপ৷ 
তাই আমি যেন চলতে পারি 
আমার শপথ অনুসারে 
একটু দোয়া কর ভাই আমার জন্য 
আল্লাহ তা'য়াআলার দরবারে৷ 



বিস্তারিত পড়ুন

বাসর রাত

বাসর রাত


চোখ খুলো,ঘোমটা সরাও 
লাজ,শরম কেন এত 
বিলিয়ে দাও বুকের ভালবাসা যত৷ 
পূর্ণ কর মনের সব আশা 
ছোঁয়ায়,ছোঁয়ায় দাও না একটু ভালবাসা৷ 
আজ তুমি-আমি এই বাসর রাতে 
পাশাপাশি বসে একসাথে৷ 
বিধির বিধানে হয়েছি বন্দি 
হবে দুজনার অন
ত্ন প্রেমের সন্ধি৷ 
কেটে গেছে কত দিন-রাত 
কত মাস-বছর 
এসেছে জীবনে সুখের বাসর 
হাজারো ফুলের সুভাস ছড়ানো ঘর৷ 
তোমার রূপের আলোয় আলোকিত ঘরে 
কেন আজ আমার কাছ থেকে দূরে৷ 
বুকে টেনে নাও কোমল হাতে 
ভালবাসার সাগরে ভেসে যায় একসাথে 
ফুল শস্যা বাসর রাতে৷ 
তোমার চুলের ঘ্রান,নিঃশ্বাসের বাত 
আমার
অসিস্ততে মিশে কেটে যাক এই রাত৷ 
তুমি স্পর্শ ময়ী, স্পর্শে ছড়াবে অন
ন্ত সুখ 
আদরে ভরিয়ে দাও না শূন্য বুক৷ 
একটু আদর করো না কোমল হাতে 
এই ফুল শস্যা বাসর রাতে৷ 
কেন লাজ-শরম এত 
আমি তোমার স্বামী তোমার মনের মত৷ 
এ রাত একবার আসে জীবনে 
হয়েছে বাধন পরিপূর্ণ যৌবনে৷ 
বিস্তারিত পড়ুন

হিংস্র মানব

হিংস্র মানব



ইবলিশ-শয়তান-জীন-পেত্নী-দানব 
তার চেয়ে ভয়ংকর অস্রধারী হিংস্র মানব৷ 
অশস্নীল ভাষায় কথা বলে 
নীতি কথায় অস্র চলে৷ 
ইচ্ছা করলেই,খুন,ধর্ষণ,লুটপাট যত 
জ্বালাও,পোড়াও আন্দোলন চলছে অবিরত৷ 
এরাই মানব জাতির নেতা 
এরাই নাকি শ্রেষ্ঠ,শ্রেষ্ঠ তাদের মাথা৷ 
আমরা সবাই মুর্খ,অজ্ঞতায় বাস 
তাই তো তারা করছে দেশের সর্বনাশ৷ 
দিবা-লোকে করছে গুলি 
উত-পেতে থাকে শহরের রাস্তা অলি-গলি৷ 
মদ-হিরইন,গাজা,সিগারেট,আজে বাজে সব নেশা 
সন্ত্রাসী কর্মকান্ড তাদের পেশা৷ 
কু-কর্ম করে আশ্রয় বড় নেতার ছায়া তলে 
পুলিশের হাতে ধরা পড়ে 
যদি যায় কারাগারে 
ছাড়া পায় ঊর্ধ্বতন করতিপক্ষের মোবাইল কলে৷ 
দয়া-মায়া নেই তাদের মনে 
কাকে-কখন করবে খুন কে জানে৷ 
মরণ বারতা হাতে তার 
হিংস্র মানবের দিন কাটছে চমত্‍কার৷ 
কে শুনাবে নীতি কথা 
কার হয়েছে মাতা ব্যথা৷ 
কার মাথায় মরণ খাড়া হয়ে ঝুলে 
কে পরতে চায় মানবের দাবার চালে৷ 
নিশানা তাদের ভয়ংকর 
রক্ত সম্পর্ক টাকা,দেখে না কে আপন, কে পর৷ 
উপর থেকে কল আসবে যখন 
লাশ পড়বে যখন-তখন৷ 



বিস্তারিত পড়ুন

দূর থেকে আলো কাছে যেতেই আধার

দূর থেকে আলো কাছে যেতেই আধার

প্রিয়া তুমি কোথায়? কোথায় আছ তুমি লুকিয়ে 
ভ্রা
ন্ত পথে খোঁজে খোঁজে ক্লান্ত আমি 
বটবৃৰ তলে দাড়িয়ে 
বলি তারে, মলিন বেশে এ পথ দিয়া 
গেছে আমার প্রাণতম প্রিয়া৷ 
হেসে বলে পাগল ছেলে হায় 
দিবা-নিশি কত মানুষ আসে-যায়৷ 
কার খবর রাখবো আমি 
কে প্রিয়া-কে তুমি? 
কেঁদে ফিরে আসি পুকুর পাড়ে 
কেঁদে কেঁদে বলি তারে৷ 
হাত ধুয়েছে, পা ধুয়েছে, ধুয়েছে প্রিয়ার মুখ তোমার জলে 
কোথায় প্রিয়া দাও না একটু বলে৷ 
প্রেম দিওনা পথিক শুনো 
আমি গুহায় বন্ধি জানো৷ 
চর্তুদিক মাটি দিয়ে বন্ধি করেছে আমাকে 
কিভাবে জান প্রিয়া তোমার কোথায়, 
কি বলবো আর তোমাকে৷ 
সোজা চলি বনের দিকে, 
হঠাত্‍ থামি শিয়াল দেখে 
ও !পন্ডিত মশাই শুনো, 
আমার প্রিয়া কে চিনো? 
এ পথ দিয়ে গেছে প্রিয়া এইতো কিছু
ক্ষন আগে 
ভুল বুঝা-বুঝির এক পর্যায় প্রচন্ড রাগে৷ 
মানুষকে সাহায্য করা ছেড়ে দিয়েছি চিরতরে 
আমাদের দেখলে মানুষ তাড়া করে৷ 
মানুষের কি
ক্ষতি করেছি ভাই 
দুই-একটা হাস-মুরগিই তো চুরি করে খাই৷ 
তাতেই আমাদের উপর এত তাড়া 
চোখে দেখে না দেশ লুট-পাট করে খাচ্ছে যারা৷ 
ব্যর্থ হয়ে ব্যথিত মনে 
প্রবেশ করি সবুজ গহীন বনে৷ 
সেখানে ছিল গাছ সারি সারি 
এখন সেখানে গড়ে তুলেছে অসংখ্য বাড়ী৷ 
নামেই আছে সবুজ গহীন বন 
দিনদিন গাছগুলো হচ্ছে নির্ধন৷ 
সামনে দেখি দুইটি পাখি ডালে বসে 
দাড়ায় গিয়ে তাদের পাশে৷ 
বলি তাদের, শুনো পাখি ভাই 
আমার প্রিয়া বনে আছে তার সন্ধান চাই৷ 
পাখি বলে, ধ্বংশকারী, পাষান্ড মানুশ জাতি 
আমাদের বংশ, আবাস করছ দিন-রাতি৷ 
তোদের ধিক্কার,ধিক্কার সর্বনাশ যেন হয় 
আসে যেন কোন প্রাকৃতিক প্রলয়৷ 
মনে পড়ে বিজ্ঞানীদের কথা আর 
দেশের তুলনায় ২৫% বনাঞ্চল থাকা দরকার৷ 
৯% আছে বাকি ১৫% যদি না হয় পড়ে 
দেশে তলিয়ে যাবে কোন প্রাকৃতিক ঝড়ে৷ 
পাখি বলে, এই বোকা মানুষ চুপ কেন ভয় পেলি বুঝি 
ভয় পায় নি প্রিয়াকে যে কোথায় খুঁজি৷ 
কলতান কলরবে পাখি গেল উড়ে 
সামনে তাকিয়ে দেখি একটি বাড়ি দূরে৷ 
বাড়ির পাশে গিয়ে দাড়িয়ে থাকি 
কি নামে যে আমি ডাকি৷ 
হঠাত্‍ বেড়িয়ে আসে মধ্যবয়সের এক মেয়ে 
আমার দিকে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে৷ 
বলে, এখানে কি চাই? কে তুমি, কোথায় বাড়ি 
এখানে প্রিয়া এসেছে, আমি বলে দিলাম তাড়াতাড়ি৷ 
প্রিয়া কে বাজে মতলব বুঝি 
সত্যি বলছি সারাদিন ধরে প্রিয়াকে খুঁজি৷ 
প্রিয়া-টিয়া নেই এখানে 
খুঁজো গিয়ে অন্যখানে৷ 
যত সব পাগল-ছাগলের দল 
উড়ে এসে-জুড়ে বসে মানে না রোদ,বাদল৷ 
মলিন বেশে আসি ফিরে 
বিলীন হওয়া নদীর তীরে৷ 
সামান্য জল জমা নদীর বুকে 
তৃষ্ণায় ঝাপসা দেখছি দুই চোখে৷ 
যখন করবো নদীর জল পান 
নদী বলে, সাবধান ,সাবধান৷ 
এই জল তোমাদের জন্য নয়, 
তোমাদের জন্য আমার হয়েছে ক্ষয়৷ 
তোমরা স্বার্থপর লোভী জনতা 
আমার বুকে বাধ দিয়ে করেছ জল শূণ্যতা৷ 
মানুষ জাতির জন্য উপকার নেই আর 
নেতারা এটা করবো-সেটা করবো নদী বাচানো দরকার৷ 
তাদের মুখের মিষ্টি কথায় আর গলবো না 
যৌবন ফিরে পেলে মানুষের দেখানো পথে চলবো না৷ 
নদী ভাই এসেছি বড় আশা নিয়ে তোমার কাছে 
প্রিয়া হাড়িয়ে গেছে-তোমার বুকে কি লুকিয়ে আছে৷ 
তুমি হাসালে ভাই-হাসালে 
কষ্টের মাঝে আনন্দের জোয়ারে ভাসালে৷ 
আবুল-তাবুল বাজে কথা রাখ 
আমাকে একা থাকতে দাও ভিন্ন পথ দেখ৷ 
ক্লা
ন্ত,তৃষ্ণা, অনহারে 
লুটিয়ে গিয়ে পড়ি পাহাড়ে৷ 
পাহাড় বলে, এখান থেকে দূরে যাও 
আমার কাছে কি চাও? 
মানুষ পাহাড় কেটে কেটে পাহাড়ের অস্থিত্ব করছে বিলীন 
তাই মানুষ দেখরে মন-প্রাণ হয় মলিন৷ 
প্রিয়ার খুঁজে এখানে আসা 
দুঃখে-কষ্টে হারিয়ে যাচ্ছে মুখের ভাষা৷ 
হাসালে, মানুষের দুঃখ-কষ্ট কিসে 
দিন-রাত্রি কাটে আনন্দ ফুর্তিতে হেসে হেসে৷ 
যত দুঃখ-কষ্ট আমাদের 
বলির পাঠা মানুষের হাতে 
একটু সময়ই যতেষ্ঠ আমাদের অসত্মিত্ব চুর্ণবিচুর্ণ হতে৷ 
তোমার প্রিয়ার খবর কি ভাবে রাখবো বল 
বরং সামনের দিকে চল৷ 
হয়ত খুঁজে পাবে তোমার প্রিয়াকে 
ঝর্ণার জল পান করে শানত্ম করবে তোমার হিয়াকে৷ 
পাহাড়ের দেখানো পথে হাটি এক কিলোমিটারে মত 
অবশেষে ঝর্ণার দেখা জন পান করে মিঠে গেল তৃষ্ণা যত৷ 
ঝর্ণা বলে, এখন জাতি অনুমতি ছাড়া 
দুনিয়ার সব কাজ করছে তারা৷ 
মানুষ শ্রেষ্ঠ জাতি নাকি 
ধর্মে-কর্মে তারা দিচ্ছে ফাকি৷ 
আউল-বাউল পাগল পথের দিশারী কি চাও? 
আমার প্রিয়া কোথায় বলে দাও? 
অকৃতজ্ঞ মানুষ জাত 
যেদিক দিয়ে বয়ছে দৰিনা বাত 
সোজা সে দিকে চলে যাবে 
তোমার প্রিয়াকে খুঁজে পাবে৷ 
ঝর্ণার কথা বিশ্বাস করা 
আর কিছুই নয় বোকামি ছাড়া৷ 
তাই মলিন বেশে ফিরে আসি ঘরে 
সারাটা দিন খুঁজে সন্ধার পরে৷ 
বিস্তারিত পড়ুন

রূপের রানী তুমি কি দেখেছ ?

রূপের রানী তুমি কি দেখেছ ?


রূপের রানী তুমি কি দেখেছ কোন দিন? 

তোমার রূপ কোন দর্পণে 

হয়ত বা কোন জোসনা জ্বলা রাতে সপনে৷ 
যৌবনে পরিপূর্ণ রূপের ঝলক 
দেখেছ কি? কোন দর্পণে কোন দিন এক পলক৷ 
রূপের রানী দেখেছ কি? প্রেম ভক্ত কলিকালের নশ্বর ভূবনে 
সেই শিশুকাল থেকে পদার্পণ যৌবনে 
বা স্বচ্ছ কাচ দ্বারা নির্মিত কোন দর্পণে৷ 
তুমি দেখেছ কি? মেঘ কালো ঘন চুলের ছায়া 
উৎফুল্ল চঞ্চল যৌবনে পরিপূর্ণ রূপের কায়া৷ 
দুপুরের উত্তাপ্ত রোদে ঘামে ভেজা মুখটি 
লজ্জায় নিম্মোচিত টানা টানা চোখটি৷ 
সেই লাজ দু'চোখের আকর্ষণীয় ঘন পলক 
পূর্ণিমা রাতে পূর্ণিমার আলোতে 
তোমার রূপের ঝলক৷ 
তুমি দেখেছ কি রূপের রানী ? 
নিজেকে ভালভাবে সাজিয়ে মনোযোগের সাথে 
বিদ্যুৎ চলে যাওয়া মমের আলোতে৷ 
অথবা প্রদীপ জ্বেলে সারারাত একা 
হয়েছি কি এমন সুভাগ্য 
নিজেকে একবার মনের মত করে দেখা৷ 
একটু আলো একটু আধারের মাঝে 
মলিন বেশে অথবা সামান্য নব বধুর সাঝে৷ 
তুমি দেখেছ কি রূপের রানী ? 



বিস্তারিত পড়ুন

প্রথম প্রেমের যন্ত্রণা

প্রথম প্রেমের যন্ত্রণা


ঘু ঘু ডাকে বাশঁবাগানে 
গোলাপ ফুটে ফুল বাগানে 
প্রেম হয় গোপনে দুই মন-প্রাণে 
প্রথম প্রেম ব্যর্থ হলে এ ভুবনে 
সুখ আসে না আর জীবনে৷ 
প্রেম করেছে যারা 
কষ্ট যন্ত্রণা বুঝবে শুধু তারা, 
প্রথম প্রেমের স্মৃতি জীবনের প্রতিটি মুহুর্তে করে তাড়া 
এ হলো প্রথম প্রেমের আদর্শ ধারা৷ 
আবার যদি জড়িয়ে পড়ে নতুন প্রেমে 
কষ্ট-যন্ত্রণা একটু কম হয় তবে 
প্রথম প্রেমের যন্ত্রণা
অন্তরের বিধে রবে৷ 
হাজারো চেষ্টা হায়! প্রথম প্রেম ভুলা না যায় 
প্রথম প্রেমের স্মৃতি বারবার শুধু কাঁদায়৷ 
সত্য নাকি মিথ্যা প্রেমিক-প্রেমিকা জানে 
তাহলে কেন তারা সুখ খুঁজে বিরহ গানে৷ 
কত যুবক নারীর মায়া জালে আটকা পড়ে 
আবার কত নারী যুবকের মায়া জালে আটকা পড়ে 
অল্প বয়সে জীবনের সুখ যাচ্ছে ঝরে 
গোপনে গোপনে প্রেম করে 
মিথ্যা স্বপ্ন দেখে আর ভেবে ভেবে মরে৷ 
চোখের জলে স্বপ্ন ভাসায় 
প্রথম প্রেম ভুলা দায়৷ 
যে প্রেম কাঁদায় জীবন ভর 
কেন? প্রেম-ভালবাসা দিয়ে গড়তে চায় ঘর 
প্রেমের মাঝে আসলে সামান্য ঝড় 
চুর্ণবিচুর্ণ হয় সব স্বপ্ন-সব ভালবাসা 
কষ্টে -দুঃখে ফেটে যায় বুকের পাজর৷ 

বিস্তারিত পড়ুন

নেতা

 নেতা


নেতা আটকে গেছে দুর্নীতির ফাদে 

ধরা পড়ে এখন নেতা শুধু কাঁদে৷ 

হাতে নাতে পড়েছে ধরা 

পুলিশ পড়াবে যখন হাত করা৷ 
ক্ষমতা দিয়ে বলে 
থাকবো না আর স্বৈরাচারী দলে৷ 
এ দল সন্ত্রাস, হত্যা, খুন, গুম, দুর্নীতির সেরা 
রৰা পাবে না তারা৷ 
তাই নেতা তেকে মন্ত্রী হয়ে 
সর্বদা থাকি ভয়ে আর ভয়ে৷ 
কখন জানি জনগণ গর্জে উঠে 
জনগনের সম্মুখে কোনদিন যে গলা কাটে 
আমি নাগরিক হতে চাই মন্ত্রী না 
আমার কথা কর্ণপাত করে না৷ 
উরদ্ধতন করতিপক্ষের চাপ 
বাধ্য হয়েছি করতে পাপ৷ 
আমি পাপী-আমি দোষী 
স্বৈরাচারী দল থেকে মুক্ত আমি খুশি৷ 
তবে যদি দেশকে বাচাতে চাও 
জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাও 
তাহলে ঘর থেকে বাহির হয়ে রাজ পথে যাও৷ 
বুকে হিম্মত্‍ নিয়ে রম্নখে দাড়াও 
তোমার অধিকার আত্ম মর্যদা, দেশের সুনাম 
স্বৈরাচারী পতনে হাতটা বাড়াও৷ 
আমার মত নেতাদের বুঝিয়ে দাও চরমভাবে 
দেশপ্রেম কাকে বলে 
দেশের স্বৈরাচারী পতনে 
জনগণ কিভাবে দ্রুত বেগে চলে৷ 
তাহলে আমাদের মত নেতারা করবে না পাপ 
দেশ এগিয়ে যাবে এক দাফ৷ 
বিস্তারিত পড়ুন

কালকুট

কালকুট

প্রতিটি মানুষের অন্তরের কালকুটযুক্ত 
এই সমাজ এই দেশের জন্য দোষী প্রতিটির মানুষের রক্ত৷ 
বুঝে না কিভাবে ঢেলে দিচ্ছে কারা 
কালকুট এর ঝর্ণা ধারা৷ 
দুষিত শুন্য বায়ু, ফসল, মাটি মানুষের মন 
কালকুট জরজরিত মানুষের জীবন৷ 
কোথা তেকে আসে কোথা যায় কালকুট 
জেনেও জানে না ,বুঝেও বুঝে না 
মানুষ শুধু মগ্ন নর-নারীর জুট৷ 
কালকুট শাক-সবজি তরকারী ফল-মাছে 
জলে-স্থলে বাতাসে গাছে৷ 
জন্ম থেকে
মৃত্যু পর্যন্ত যে সব খাবার খায় তারা 
সে সব খাবার তৈরি হয় কালকুট ধারা৷ 
তাই কালকুট মানুষের অঙ্গে
প্রত্যঙ্গে
মন হয় বিষাক্ত নোংরা আচরণ 
তাই অধিকাংশ অন্যের সঙ্গে৷ 
এই জন্য দায়ী আজকের সমাজ-দেশ 
কালকুট যুক্ত এই পরিবেশ৷ 
আর নয়
অপেক্ষা
ভবিষ্যত্‍ প্রজন্মকে করতে হবে
রক্ষা 


বিস্তারিত পড়ুন

বাংলার সৈনিকরা জাগো

বাংলার সৈনিকরা জাগো



জাগো সৈনিক হাত মিলাও হাতে 

অস্র ধরো, যুদ্ধ করো দেশদ্রোহীর সাথে৷ 

বাংলার মাটিতে করছে বসবাস 
সেই বাংলার মাটির সম্পদ করছে তারা গ্রাশ৷ 
কুমন্ত্রণা দিচ্ছে যারা মাতৃসন্তানের কানে, 
তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলো রাজপথ স্নোগানে৷ 
ছুটে চলো বিপ্লবী আর তীর্যবান 
চরন ফেলো বাংলার মাটিতে বেগবান৷ 
কোথায় তারা ভক্ষণ ,খচরা,হ্যাচর, টেটিয়া, 
দেশের সুনাম ভয়েছে দেয়ালে ঠেকিয়া৷ 
দেশে এখন ভূত সংপস্নব 
বাংলার সৈনিক জাগো করছে তারা গোপনে বিপ্লব৷ 
যষ্ঠিকা হাতে রুধির পথ দিতে হবে পাড়ি 
বিদু্যত্‍ গতিতে ছুটে চল নর-নারী৷ 
বাংলার মাটি স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে 
আর কত কাল ঘরে বসে রবে৷ 
মাটি কাদে, মানুষ কাদে, কাদে গাছপালা, পশু-পাখি 
খোলো দ্বার মিলো আখি৷ 
সবাই একসাথে রুখে দাড়াও 
বাংলার সৈনিক তোমরা হাতটা বাড়াও 
দেশদ্রোহীদের এদেশ থেকে তাড়াও৷ 
তারা বাংলা মীরজাফরদের সাথে মিশে 
জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনে দেশের সুনাম পিশে৷ 
বুক ফুলিয়ে মুখ ফাটিয়ে হাসে 
তারা খুশি বাংলার সর্বনাশে৷ 
তাদের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে হবে বাংলার মাটিতে 
দেখিয়ে দিতে হবে কত জোড় বাংলার লাঠিতে৷ 
বাংলার সৈনিক জাগো ভাই 
বাংলাদেশে একটি শ্রেষ্ঠ নেতা চাই৷ 


বিস্তারিত পড়ুন

সেই দিনের স্মৃতি

সেই দিনের স্মৃতি


এখানে - সেখানে বাশঁবাগানে 
অলি-গলির ছোট- বড় রা
স্তা 

কোথাও মাটির কাচা পথ কোথাও কংক্রিটের পথ 
কখনো গল্প কখনো হাসি 
খোলা মাঠে বসে থাকা 
ম্যানিব্যাগ ভর্তি টাকা 
বারবার আবদার এটা সেটা খাবো 
মুহুর্তে করে দিলে ম্যানিব্যাগ ফাকা৷ 
কখনো হাত ধরে, কখনো হাত ছেড়ে 
হাটতে হাটতে তোমার মুখে বলা 
আর পারবো না হাটতে 
তাই রিক্সা নিয়ে পার্কের দিকে চলা৷ 
মাঝ পথে দাড়িয়ে হাত বাড়িয়ে নিলে কিনে ফুল 
হঠাত্‍ করে ঘোমটা সরিয়ে উড়িয়ে দিলে চুল৷ 
পথের মানুষ তাক হয়ে, বাঘ হয়ে দৃষ্টি মিলে তার 
বলতে গিয়ে থেমে গেলে কি বলবে আর৷ 
রিঙ্ থেকে হঠাত্‍ নেমে 
সোজাসোজা চললে তুমি বামে৷ 
আগে খাবো, পরে যাবো 
কালামিয়ার হোটেলের বিরানি। 
তবুও আমি তোমায় ফিরায়নি৷ 
খাওয়ার পরে অন্য কথা 
করছে আমার মাথা ব্যর্থা৷ 
আজ নয় অন্যদিন পার্কে যাবে 
এখন চলো বাড়ি যাবো৷ 

বিস্তারিত পড়ুন

কবি ও রুবি

কবি ও রুবি


বন্ধু হবে তুমি কথা বলার 
সাথী হবে উদ্দেশ্যবিহীন পথ চলার 
জীবনের সঙ্গী হতে চাও 
জোসনা রাতে পাশাপাশি বসে গল্প বলার৷ 
রম্নবি-আমি ভালবাসি তোমায় 
তোমার জীবন সঙ্গি হতে চাই কবে৷ 
না এ হয় না
রুবি? 
কেন হয় না কবি? 
হয় না এক কারণে এক বারণে 
কি কারণ আর কি বা বারণ? 
আমার প্রথম ভালবাসা সবিতা 
তার জন্য হয়েছি কবি লিখি কবিতা৷ 
তাহলে আমি প্রেমে ব্যর্থ কবি? 
না তুমি ব্যর্থ না
রুবি৷ 
তোমাকে
অপেক্ষা করতে হবে 
আমার ভালবাসা পাওয়ার জন্য৷ 
কত বছর
অপেক্ষা করতে হবে? 
বছর না এইতো সামান্য সময় 
আকাশের তারা গুণতে যতটুকু সময় লাগে 
সাগরের জল কমতে যতটুকু সময় লাগে 
তোমার মাথার চুল গুণতে যতটুকু সময় লাগে আর 
যেটুকু সময় লাগে পৃথিবীর
দৈর্ঘ্য প্রস্থ মাপার৷ 
এই সামান্য সময় পর 
তোমার সাথে বাধবো ভালবাসার ঘর৷ 
অপেৰা করতে পারবে তুমি 
এই তোমার গা ছুঁয়ে বললাম ফিরে আসবো আমি৷ 
থাক আর গাঁ ছুয়ে বলতে হবে না 
মিথ্যে অজুহাতে আর কত 
পাকা ফাজলামো যত৷ 
একে তুমি ফাজলামো বলছো
রুবি! 
তো ফাজলামো ছাড়া আর কি? 
আমি কি এতই বোকা নাকি 
কাঠের কোনো পালকি৷ 
কাঠের পালকির কোন মন বা আত্মা নেই 
তাই বর কনের জন্য
অপেক্ষা করবে জনম ভর 
আমাকে বাধতে হবে কারো না কারো সাথে ঘর৷ 
তুমি যে কারণ দেখালে কবি 
হয়তো উল্টো দিকে উঠতে পারে রবি৷ 
কিন্তু তোমার সামান্য সময় শেষ হবে না 
এতদিন আমার ভালবাসা
অপেক্ষায় রবে না৷ 
কেন তুমি
রুবি এত তাড়া কিসে 
তাহলে কি চাও ভালবেসে? 
আমাকে চাও নাকি আমার মন 
ভেবে দেখ তুমি এখন৷ 
যদি আমাকে চাও তুমি 
এখনি হয়ে যাবো তোমার আমি৷ 
কোনোদিন যাবো না চলে 
এই মাথা ছুয়েঁ দিচ্ছি বলে৷ 
এখন তো খুশি
রুবি? 
আর ডং করো না কবি 
তোমার চালাকী রাখ 
আমার চোখে চোখ রেখে দেখ? 
আমার চোখ কি বলে ? 
আমার চোখে আকাঁ কার ছবি? 
চুপ থেকো না কবি? 
কিছু তো বলো নিরব কেন? 
রুবি তুমি হয় তো জানো৷ 
তোমার চোখ গহীন সমুদ্র 
সেই সমুদ্রে ডুব দিলে খুঁজে পাবে না আমাকে 
আমার
অস্তিত্বকে৷ 
আমি এখানেই খুব দুর্বল 
তোমার চোখে তাকালে আমি আর আমি থাকি না 
হাড়িয়ে ফেলি আমার
অস্তিত্ব আর আবেগ অনুভূতি 
তোমার চোখে জাদু আছে
রুবি৷ 
কবি তুমি আ
স্ত পাগল কবি৷ 
সব ভালবাসা পেলে আমার চোখের গভীরতায় 
শুননি
রুবির বুকের আর্তনাদ আহাজারী 
যন্ত্রণাদায়ক মনের স্বপ্ন ও আশা 
আমার মনে তোমার জন্য কতটুকু ভালবাসা৷ 
চোখের কোনায় অমোঘ অন্ধকারের ছায়া 
কবি তোমার যদি তীল পরিমান থাকতো মায়া ৷ 
তাহলে কারন দশাতে না 
ভয়াল অন্ধকার জগতে আমাকে ভাসাতে না৷ 
রুবি তুমি থামো, আমি নিরুপায় 
নিয়তির হাতে বন্দি এক পাখি 
কেমন করে তোমায় বল ডাকি৷ 
যদিও তুমিও সুন্দর গুণের অধিকারীনী 
গোলাপের পাপড়ির মতন তোমার মুখ 
খুব নরম তোমার মন 
কত সুভাগ্য আমার, তুমি হতে চাও 
আমার ঘরনী৷ 
কিন্তু নিয়তির কি পরিহাস 
মনে আহাজারী হাহাকারের হাহুতাশ৷ 
মনের ভালবাসা কবে যে হয়েছে বিলীন 
সব সুন্দর কবে যে হয়েছে মলিন৷ 
তাও ভালভাবে জানি না
রুবি 
থাক আর বলতে হবে না কবি৷ 
ব্যর্থিত মনে নতুন ব্যর্থা ঢেলে 
দুঃখ কষ্ট যাতে তোমার হৃদয়ে ঢেউ খেলে৷ 
তা জাগাতে চাই না আমি 
তবুও আমার ভালবাসা তুমি৷ 
আমি শুধু তোমাকে চাই কবি 
তবে সার্থক হবে
রুবি৷ 

বিস্তারিত পড়ুন

বসন্তের কোকিল

বসন্তের কোকিল
বসন্তের ডাকা কোকিল 
একটু দূরে গিয়ে ডাক না ভাই 
আমি খুব কষ্টে আছি 
কেমন করে সুখের গান গায়৷ 
কোন অজানা বনে 
জংলার দ্বারে 
যাতে এই মন তোমার গান শুনতে না পারে৷ 
ধরি তোমার দুটো পায় 
আমার খুব কষ্ট 
বুক যে ফেটে যাচ্ছে বোবা কান্নায়৷ 
কেমন করে সুখের গান গায় 
আমি যে নিরম্নপায়৷ 
জরাকীর্ণ দেহ আমার 
মনটা মরে যায় যায় 
আর ডাক না ভাই৷ 
ঐ দিকে ঘন বাগান আছে 
সেখানে তুমি ভাই চলে যাও 
আমাকে কেন শুধু শুধু কাঁদাও৷ 
আমি কত কাঁদবো আর 
কত বছর কেঁদে করেছি পার৷ 
বালিশে মুখ চেপে নীরবে গোপনে 
নির্জনে নিভৃতে একাকী মনে৷ 

তুমি চলে যাও ভাই কোন অজানায় 
তোমার সুখেল ডানায়৷ 
যেখানে সেখানে সুখ আছে 
চলে যাও সুখের কাছে৷ 
তুমি ভাই অধমের কাছে কি চাও 
চলে যাও চলে যাও 
অনেক দূরে চলে যাও৷ 
বিস্তারিত পড়ুন

দুনিয়ার সম্পদ মূল্যহীন

দুনিয়ার সম্পদ মূল্যহীন

দুনিয়ার ধন সম্পদ ছেলে-মেয়ে টাকা 
সব কিছুই মৃত্যুর পর ফাকা৷ 

আপন বলতে নেই কেউ তোর 
সবাই কিন্তু তোর পর৷ 
আপন শুধু সারে তিন হাত 
নির্জন মাটির ছোট ঘর৷ 
যেখানে নেই আলো ,নেই বাতাস 
শুধু আছে প্রচন্ড ভয় 
পৃথিবীতে আপন কিছু নয়৷ 
মনরে আগে থেকে চিন্তা কর 
আমল নিয়ে তুই মর৷ 
তোর জন্য অপেক্ষায় আছে 
সাপ-বিচ্ছুর ভয়ানক ঘর৷ 
হিসেব তোকে দিতে হবে 
শাস্তি তোকে পেতে হবে হায় 

তখন পালাবি তুই কোথায়? 
দুনিয়ার বাহাদুরি সুদের টাকার পাহাড় 
কাটাযুক্ত গন্ধ খাবার করতে হবে আহাড়৷ 
মাতব্বরি হারামকে হালাল কর 
বুঝবি তুই মৃত্যুর পর৷ 

জীবনের যশ ক্রান্তি
নিভে যাবে যখন জীবনের বাতি৷ 
থাকবে না দুনিয়ার কোনো কলরব 
আলো বাতাস বন্ধ হয়ে যাবে সব৷ 
শুধু থাকবে আখিরাতের শাস্তি 
শুধু বলবি ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি৷ 



বিস্তারিত পড়ুন

রোজ রাতের স্বপ্ন

রোজ রাতের স্বপ্ন

 রোজ রাতের স্বপ্ন

রোজ রাতে স্বপ্নে পেতে চায় 

জীবনের মহামূল্যবান মানিক রতন 

মনটা আমার পাগল পাগল 

দিবা চলার পথ হয় ছন্দপতন৷ 
কিভাবে করি শান্ত পাগল মন 
করি নাই ভালবাসার আস্বাদন৷ 
তবুও মন রোজ রাতে স্বপ্ন দেখে 
সারাৰন স্বপ্নে বিভোর থাকে৷ 
ভালবাসার কথা ভাবে আর ভাবে 
জীবনের মায়া ছিন্ন করে প্রেমের পানে ছুটে যাবে৷ 
মনকে কত বুঝাই স্বপ্ন সপন হয়ে থাক 
বাসত্মবের মাঝে টেনে কেন করিস মনের বিপাক৷ 
তবুও পাগল মন না শুনে কথা 
ছুটে যাবে সেথা৷ 
যেখানে আছে স্বপ্ন আর অনুভূতি 
যেখানে আছে প্রেম আর প্রেমের স্মৃতি৷ 
হায়রে মন তোকে বুঝাবো কিভাবে 
এটা ঠিক পথ নয় 
তুই চলছিস যেভাবে৷ 
বাসত্মব খুব কঠিন স্বপ্নের মত নয় 
বাসত্মবে প্রেম-ভালবাসা শুধু ভয়৷ 
রোজ রাতের সপন বাদ দাও না ভাই 
মন একটু বুঝতে চাও 
কি করে আমি স্বপ্নের পথে যাই৷ 
খবরদার জ্ঞান দিতে হবে আমি নয় মুর্খ-বর্ধির 
প্রেমের জন্য পাড়ি দিবো পথ রম্নধির৷ 
বুঝালে বুঝবো না , শুনেও শুনবো না 
প্রেম ছাড়া কিছুই মানবো না৷ 
অনেক বলেও ব্যার্থ হয়ে 
সব যাই নিরবে সয়ে৷ 
বিথায় বলে আমার কি লাভ 
মন প্রকাশ করতে চায় তার মনের ভাব৷
বিস্তারিত পড়ুন

যদি একবার বলতে সবিতা

যদি একবার বলতে সবিতা


শুধু একবার বলো? একবার বলো? 
না হয় একটু ভুল করে বলো সবিতা, 
ভালবাসি তোমাকে, বড্ড ভালবাসি জীবন, তোমাকে 
বড় ভালবাসি জীবন তোমার কবিতা৷ 
জীবন, তুমি খুব সুন্দর 
খুব সুন্দর তোমার ভাবনার জগত্‍ 
কত উপমা দিয়ে লিখেছ কবিতা, 
আমি ধন্য, ধন্য আমার নাম সবিতা৷ 
শুধু একবার বলো ? একবার বলো? 
জীবন আমি তোমার আছি 
চিরদিন তোমারি থাকবো 
বুকের ভিতর তোমায় বাধিয়ে রাখবো 
প্রেমের অনলে পুড়ে আর কত পাবে ব্যাথা 
তোমাকে বলছি আমি সত্য কথা 
জীবন আমি তোমার সবিতা, 
এখন আমাকে নিয়ে লিখবে ভালবাসার কবিতা৷ 
শুধু শুধু যন্ত্রণা আর না বাড়িয়ে 
এই তো আমি তোমার পাশে দাড়িয়ে 
বটবৃৰের মত অননত্ম কাল ধরে 
কোথাও যাইনি আমি হাড়িয়ে৷ 
শুধু একবার বলো?একবার বলো? 
তোমার আমার সম্পর্ক জানে 
সারা বাংলার লোক 
বিথায় খোঁজে ফ্যাকাসে হচ্ছে তোমার মুখ৷ 
আমার মাথার উপরে আছে পরিত্রাতা 
পাশে আছে জীবন তোমার ভালবাসা 
আমি হারাবো কোথায় আমি যে তোমার সবিতা 
যদি বিশ্বাসের সাথে বলতে তুমি 
তাহলে আমি কি আর লিখি যন্ত্রণার কবিতা৷ 




বিস্তারিত পড়ুন
.